অক্টোবর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু

738

রূপশ্রী প্রতিবেদন

১৬ সেপ্টেম্বর, ঢাকাঃ

চলতি বছরে একাদশ শ্রেণিতে নতুন উত্তীর্ণরা আগামী ১৭ তারিখ পর্যন্ত নির্বাচিত কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে। আগামী অক্টোবর মাস থেকে অনলাইনে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে। পহেলা অক্টোবর থেকে বাজারে এই ক্লাসের পাঠ্যবই বিক্রির জন্য উন্মুক্ত করা হবে। করোনা পরিস্থিতির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইনে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘অক্টোবর থেকে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে। শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতির কারণে অনলাইনেই এই ক্লাস চলবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পর স্বাভাবিক শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম চলবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের (কলেজ) একাদশে এবারও মোট তিন ধাপে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ভর্তির আবেদন নেওয়া হয়। প্রায় ১৪ লাখ শিক্ষার্থী ভর্তির আবেদন করেছে। এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন।

গত ৮ সেপ্টেম্বরের কলেজ ভর্তি ফি সম্পর্কে শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পৌর (উপজেলা) এলাকার এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তিতে সেশন ও ভর্তিফিসহ সাকুল্যে এক হাজার টাকা, পৌর (জেলা সদর) এলাকায় দুই হাজার টাকা এবং ঢাকা মহানগর ছাড়া অন্য মেট্রোপলিটন এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো তিন হাজার টাকা নিতে পারবে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তিতে পাঁচ হাজার টাকার বেশি অর্থ আদায় করা যাবে না। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার আংশিক এমপিওভুক্ত বা এমপিওবহির্ভূত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উন্নয়ন ও এমপিওবহির্ভূত শিক্ষকদের বেতনভাতা দেওয়ার জন্য শিক্ষার্থী ভর্তি ফি, সেশন চার্জ, উন্নয়ন ফিসহ বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ সাড়ে সাত হাজার টাকা এবং ইংরেজি ভার্সনে সর্বোচ্চ সাড়ে আট হাজার টাকা নিতে পারবে।

উন্নয়ন খাতে কোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবার এক হাজার ৫০০ টাকার বেশি আদায় করতে পারবে না।  গত বছর এ খাতে ৩ হাজার টাকা ছিল। করোনা পরিস্থিতির কারণে এই ফি কমানো হয়।

এছাড়া রেড ক্রিসেন্ট ফি ৪০ শতাংশ কমিয়ে ১২ টাকা করা হয়েছে। কোনো শিক্ষার্থীর পাঠ বিরতি থাকলে ও বিলম্বে ভর্তি হলে যথাক্রমে ১৫০ টাকা এবং ১০০ টাকা আদায় করা যাবে। সরকারি কলেজগুলোকে সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী ফি সংগ্রহ করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের অনুমোদিত ফি’র বেশি না দেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে সব ফি রশিদের মাধ্যমে নিতেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

‘বর্তমান কোভিড-১৯ এবং অভিভাবকদের আর্থিক অসচ্ছলতার বিষয় বিবেচনা করে দরিদ্র, মেধাবী ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ভর্তিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠাগুলোকে উল্লিখিত ফিগুলো যতদূর সম্ভব মওকুফ করতে হবে। ’

ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর বোর্ডের বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা বোর্ডের অনুমতি নিয়ে প্রয়োজনীয় ফি জমা দিয়ে কলেজ, গ্রুপ ও বিষয় পরিবর্তন করতে পারবে।

এছাড়া বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ভর্তি নীতিমালা না মেনে শিক্ষার্থী ভর্তি করালে সেই কলেজের পাঠদানের অনুমতি বা স্বীকৃতি বাতিলসহ কলেজের এমপিওভুক্তি বাতিল করা হবে।

রূপশ্রী/টি আর