বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কার, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের উদ্যোগ

884
FILE PHOTO: Small bottles labeled with a "Vaccine COVID-19" sticker and a medical syringe are seen in this illustration taken taken April 10, 2020. REUTERS/Dado Ruvic/Illustration/File Photo

রূপশ্রী প্রতিবেদন

৩ জুলাই, ঢাকা : বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছেন। বাংলাদেশের ঔষুধ কোম্পানী ‘গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের’ রিসার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টের প্রধান ডা. আসিফ মাহমুদ বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে আমাদের আবিস্কৃত কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের সফলতা পেয়েছি। এনিমেল মডেলে আমাদের ভ্যাকসিন সফল হয়েছে। এখন আমরা আশা করছি মানবদেহেও এটা সফল হবে। এখন আমরা সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যাব। তাদের দেয়া গাইডলাইন অনুযায়ী আমাদের ভ্যাকসিনের পরবর্তী ধাপগুলো সম্পন্ন করব।

বৃহস্পতিবার রাজধানীতে ‘গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড’ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এরআগে গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. হারুনুর রশিদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জাতিকে প্রথম এই সুসংবাদটি জানান। তিনি জানান, বাংলাদেশ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছে। সংবাদ সমম্মেলনে জানানো হয়, সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষ আবিষ্কৃত করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের (টিকা) ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন, ‘গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের’ রিসার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টের প্রধান ডা. আসিফ মাহমুদ। কোম্পানীর উর্ধতন কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ভ্যাকসিনটি দ্বিতীয় ধাপে এনিমেল মডেলে ট্রায়াল করা হবে। এজন্য ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ সময় লাগবে। এরপরই এই ভ্যাকসিন মানব শরীরে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে যাবে। ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ পর ভ্যাকসিনটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে যাওয়ার জন্য সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমতি চাওয়া হবে। সরকারের অনুমতি পেলেই ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল করা হবে। এসময় আবিষ্কৃত করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন বর্তমানে যে অবস্থায় রয়েছে সেটাকে বিরাট অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করা হয় ।

#

রূপ্রশ্রী/এসটি