নৈতিকতার প্রসারে বিশেষ ভূমিকা রাখায় আন্তর্জাতিক অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত জিনাত খান

864

রূপশ্রী প্রতিবেদন, মঙ্গলবার (২৯ জুন), ঢাকা: নৈতিকতার প্রসারে বিশেষ ভূমিকা রাখায় আন্তর্জাতিক সম্মানজনক ‌‌‍’এক্সেমপ্লারি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ডে’ ভূষিত হয়েছেন আরব আমিরাতের কর্মরত বাংলাদেশি শিক্ষক জিনাত রেজা খান।
‘ইউরোপিয়ান নেটওয়ার্ক ফর একাডেমিক ইন্টেগ্রিটি’ নৈতিকতার প্রসারে অনন্য অবদান রাখা শিক্ষক ও গবেষকদের প্রতিবছর এ সম্মাননা দিয়ে থাকে। বিশ্বের খ্যাতনামা ৩৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে পরিচালিত সংগঠেনর পক্ষ থেকে এ সম্মণনা দেয়া হয়।
জিনাত খান দুবাইয়ের ইউনিভার্সিটি অব ওলংগংয়ের সহকারী অধ্যাপক। সাইবার নৈতিকতা ও তথ্যবিজ্ঞান বিষয়ে তিনি পাঠদান করেন। তিনি দুই যুগের বেশি সময় ধরে একাডেমিক নৈতিকতাবিষয়ক গবেষণা ও এর প্রসারের সঙ্গে জড়িত। ২০১৪ সালে নৈতিকতাবিষয়ক গবেষণার ওপর তিনি পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।
একাডেমিক ইন্টেগ্রিটি বা একাডেমিক নৈতিকতা হলো শিক্ষাক্ষেত্রে নৈতিকতার শিক্ষা। এটি শিক্ষাজীবনে একধরনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে, যা আমাদের নৈতিকতার চর্চা শেখায়। পড়াশোনা বা জ্ঞান অর্জনের সময় যেকোনো ধরনের অসদুপায় অবলম্বন করা থেকে নিরুৎসাহিত করে, যা একই সঙ্গে সমাজের জন্য একজন ভবিষ্যতের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবেও গড়ে তোলে।
জিনাত খান শুধু আমিরাতে নয়, হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি, কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটিসহ বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক নৈতিকতা বিষয়ে সেমিনার, সম্মেলন ও কর্মশালা পরিচালনা করেছেন। এ ছাড়াও দ্য অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেসসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা সংস্থার সম্পাদনা পর্ষদে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে জিনাত খানের। ২০১৯ সালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ উদ্যোগে ‘শিক্ষাক্ষেত্রে সততা ও নৈতিকতা’বিষয়ক একটি সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করেন তিনি।
আরব আমিরাতে একাডেমিক নৈতিকতাবিষয়ক গবেষণায় জিনাত খানকে অগ্রগামী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ২০ বছর ধরে শিক্ষকতা করছেন এবং ২০০৫ সাল থেকে একাডেমিক নৈতিকতাবিষয়ক গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ বিষয়ের ওপর জিনাতের প্রায় ৮০টি গবেষণাপত্র রয়েছে। যা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সাময়িকী ও বইয়ে প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া আমিরাতে একাডেমিক নৈতিকতাবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর একাডেমিক ইন্টেগ্রিটি ইন দ্য ইউএই’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন জিনাত রেজা খান।
#
ডিএফ/আরএইচ