মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তি আবেদন শুরু

745

রূপশ্রী প্রতিবেদনঃ

ঢাকাসহ সারা দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ২০২১ শিক্ষাবর্ষের জন্য অনলাইনে ভর্তি শুরু হয়েছে। গত ১৫ ডিসেম্বর থেকে অনলাইনে ভর্তি আবেদন শুরু হয়েছে। আগামী ২৭ ডিসেম্বর বিকাল ৫টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

শিক্ষার্থীরা এই https://gsa. teletalk.com.bd  ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত আবেদন করতে পারবে । ৩০ ডিসেম্বর লটারির মাধ্যমে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। ভর্তি সংক্রান্ত যাবতীয় নিয়মাবলি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদফতরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগরীর পাশাপাশি বিভাগীয় শহর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অবস্থিত সব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন ফি শুধু টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল  থেকে পরিশোধ করা যাবে। এবার আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১১০ টাকা।

২০২১ শিক্ষাবর্ষের জন্য ঢাকা মহানগরীর ৪৪টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। প্রথম শ্রেণি রয়েছে ১৭টি বিদ্যালয়ে। রাজধানীর সব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে তিনটি গুচ্ছে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি গুচ্ছে পৃথক আবেদন করতে হবে। তবে একটি গুচ্ছ থেকে সর্বোচ্চ পাঁচটি বিদ্যালয় পছন্দ করতে পারবে শিক্ষার্থীরা। প্রত্যেক বিদ্যালয়ের জন্য ৫০ শতাংশ ‘এলাকা কোটা’ নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া সারা  দেশে আবেদনকারীরা আবেদনের সময় প্রতিষ্ঠান নির্বাচনকালে থানাভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা  দেখতে পাবে। তখন প্রার্থীরা সর্বোচ্চ পাঁচটি বিদ্যালয় নির্বাচন করতে পারবে।

৫ শর্তে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে লটারিতে ভর্তি

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পর এবার বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়েও ভর্তির বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে মাউশি। পাঁচটি শর্ত মেনে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় করবে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত লটারির মাধ্যমে ভর্তির কাজটি বেসরকারি বিদ্যালয়গুলো।

২০২১ শিক্ষাবর্ষে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি গত শনিবার জারি করেছে মাউশি। মাউশির একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, আবেদনের তারিখ নিজেদের মতো ঠিক করবে বেসরকারি বিদ্যালয়। আবেদন ফি ধরা হয়েছে ১৫০ টাকা।

যেসব শর্তে ভর্তির কাজটি করবে বেসরকারি বিদ্যালয়গুলো, সেগুলো হলো করোনা পরিস্থিতির কারণে জনসমাগম এড়াতে লটারি প্রক্রিয়াটি ফেসবুকে লাইভে অথবা অন্য যেকোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে। লটারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সরকারের ভর্তি তদারকি ও পরিবীক্ষণ কমিটি, বিদ্যালয়েরর ভর্তি পরিচালনা কমিটি, অভিভাবক প্রতিনিধি, ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রতিনিধি ও শিক্ষক প্রতিনিধির উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। লটারির তারিখ নির্ধারণ করে ভর্তি তদারকি ও পরিবীক্ষণ কমিটিকে অবহিত করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে লটারি কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। সর্বোপরি লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়াটি যেন কোনোভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

রূপশ্রী/টি আর