আজ রবিবার (৩০ জুন) শুরু হয়েছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। ঝুম বৃষ্টি মাথায় নিয়ে পরীক্ষার্থীরা গেছেন পরীক্ষা দিতে। কাদাজল মাড়িয়ে, যানজট ঠেলে পরীক্ষা হলে পৌঁছতে কম বেশি সবাইকে চরম ভোগান্তির মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে
ভাগ্য তাদের ভালো পরীক্ষা দিতে কোন সমস্যার সম্মুক্ষিণ হতে হয়নি। কারণ আগেই পরীক্ষার দিনগুলোতে বৃষ্টি থাকলে সময় সমন্বয়ের নির্দেশনা জারি করেছিলোঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। এতে বলা হয়েছিল,
প্রয়োজনে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই কেন্দ্রের মূল ফটক খুলে দিতে হবে এবং জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় আধা ঘণ্টা কিংবা এক ঘণ্টা সময় সমন্বয় করে পরীক্ষা শেষ করতে হবে।
এদিকে পরীক্ষার প্রথম দিনে দেশব্যাপী অনুপস্থিত ছিলেন ১৫ হাজার ২০৩ পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে ৯ হাজার ৯৭০ পরীক্ষার্থী আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের আর অন্যরা মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের।
প্রথমদিন ছিলো বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা। এইচএসসি ও সমমানের এই পরীক্ষায় এদিন অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে আজ ৪৯ জন পরীক্ষার্থী ও দুজন পরিদর্শককে বহিস্কার করা হয়েছে।
বন্যা পরিস্থিতির কারণে সিলেট বিভাগের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পরে নেওয়া হবে। তবে আগামী ৯ জুলাই থেকে রোটিনভুক্ত পরীক্ষাগুলো যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে। আর স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলোর সময় পরে জানানো হবে।
আজ বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে শিক্ষা মন্ত্রণায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য ধরে তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে লিখিতভাবেও অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়।
এবার সিলেট বোর্ড বাদে অন্য আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৯ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৯। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৯ লাখ ২৩ হাজার ৭১৯ জন। অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ২ হাজার ৬০১ জন, রাজশাহীতে ১ হাজার ৫০৮, কুমিল্লায় ১ হাজার ১৫৬, যশোরে ১ হাজার ৩২৮, চট্টগ্রামে ৯৭৫, বরিশালে ৭২৭, দিনাজপুরে ১ হাজার ১৩ ও ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ৬৬২ জন।
এ ছাড়া মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮৬৩ জন। তাঁদের মধ্যে পরীক্ষা দিয়েছেন ১ লাখ ৮৩ হাজার ৬৩০ জন। মাদ্রাসা বোর্ডে ২ হাজার ৯৮৮ ও কারিগরি বোর্ডে ২ হাজার ২৪৫ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।







