রূপশ্রী প্রতিবেদন, শনিবার (২৬ জুন), ঢাকা: কঠোর লকডাউন বা শাটডাউনেও পোশাক কারখানা এর আওতামুক্ত রাখার দাবি জানিয়েছে মালিকপক্ষ। আগামী সোমবার (২৮ জুন) থেকে শাটডাউনে যাচ্ছে দেশ। এসময়ে সরকারি-বেসরকারি সব অফিস বন্ধ থাকবে। মাঠে থাকবে পুলিশ ও বিজিবি।এমনকি সেনাবাহিনী থাকার সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। সেখানে রফতানিমুখী কারখানা বিশেষ করে পোশাক কারখানা এর আওতামুক্ত রাখার দাবি জানিয়েছেন মালিকপক্ষ। এক্ষেত্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজস্ব পরিবহণ ব্যবস্থায় এনে উৎপাদনে থাকতে চান তারা।
এ বিষয়ে তারা বলছেন, কারখানা বন্ধ হলে শিপমেন্ট বন্ধ হবে এতে ব্যাংক তাদের টাকা দেবে না। তাছাড়া আসন্ন ঈদে কর্মীদের বেতন-বোনাসসহ আগামী মাসের (জুলাই) ১৫ দিনের বেতন দেয়াও তাদের পক্ষে সম্ভব হবে না। এ অবস্থা বিবেচনায় রফতানিমুখী কারখানা লকডাউনের আওতার বাইরে আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
পোশাক মালিকদের দুই সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর একাধিক সদস্য মনে করেন, তৈরি পোশাক কারখানা এই লকডাউনের বাইরে থাকা উচিত। কারখানা বন্ধ হলে শ্রমিকরা গ্রামে যাওয়ার চেষ্টা করবেন। এতে বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে, আক্রান্তের হার বৃদ্ধি পাবে। তাদের দাবি, এর আগে সরকারের প্রথম দফায় লকডাউনের কারণে বেশ কিছু শ্রমিক কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হন। পরবর্তীতে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতারা সিদ্ধান্ত নেন যারা কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে কারখানা চালাতে পারবে না তাদের কারখানা বন্ধ করে দেয়া হবে। তখন থেকেই শ্রমিকের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কারখানা চালু রাখা হয় যা আজও অব্যাহত আছে।
#
সাথি/আরএইচ







