করোনায় ব্যবসায়িক ক্ষতি নিরূপণে ‘রিসারজেন্ট বাংলাদেশ’

750

রূপশ্রী ডেস্ক

বৃহস্পতিবার (২১ মে), ঢাকা : করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের দরুণ বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের প্রকৃত ক্ষয়-ক্ষতি নিরূপণ ও জাতয়ি অর্থনীতি পুনরুদ্ধার কৌশল প্রণয়নে সরকারের কাছে সুপারিশমালা তুলে ধরতে দেশের চারটি বণিক সংগঠনসহ একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম গঠন করেছে।  ‘রিসারজেন্ট বাংলাদেশ’নামের এই প্ল্যাটফরম গঠনের সাথে যুক্ত রয়েছেন, দেশের শীর্ষ স্থানীয় বাণিজ্য সংগঠন মেট্রোপলিটান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই), ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই), বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্ট (বিল্ড) এবং পলিসি এক্সচেঞ্জ।

প্ল্যাটফর্মটির কার্যক্রম দেখভাল করবে একটি স্টিয়ারিং কমিটি। এই কমিটির সদস্যরা হলেন, সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর (উপদেষ্টা, লেদার ফুটওয়্যার অ্যান্ড গুডস ম্যানুফেকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন), নিহাদ কবির (সভাপতি-এমসিসিআই), শামস মাহমুদ (সভাপতি-ডিসিসিআই), আবুল কাসেম খান (চেয়ারম্যান-বিল্ড), আসিফ ইব্রাহীম (চেয়ারম্যান-সিএসই) এবং ড. মাশরুর রিয়াজ (চেয়ারম্যান-পলিসি এক্সচেঞ্জ)। পলিসি এক্সচেঞ্জ এই প্ল্যাটফর্মের টেকনিকাল সচিবালয় হিসেবে কাজ করবে।

দেশের উৎপাদন খাত, সেবা খাত, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য/রফতানি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই), আর্থিক খাত, বেসরকারি বিনিয়োগ এবং কৃষি খাতের ক্ষয়-ক্ষতি মূল্যায়ন করে এই প্ল্যাটফরম জাতীয় অর্থনীতি পুনরুদ্ধার কৌশল নিরূপণে সরকারের কাছে তথ্য-উপাত্তভিত্তিক সুপারিশমালা পেশ করবে।

গত মঙ্গলবার (১৯ মে) ঢাকা চেম্বার থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ বা করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের দরুণ বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতি বিশেষ করে বেসরকারি খাতের ব্যবসা-বাণিজ্য যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এই কঠিন বাস্তবতা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ এবং বেসরকারি খাতের কর্মচঞ্চল গতিশীলতা পুনরুদ্ধারে করণীয় নির্ধারণের লক্ষ্যে এই প্ল্যাটফর্ম যাত্রা শুরু করলো।

এই প্ল্যাটফর্মটি বাংলাদেশের অর্থনীতির সার্বিক উত্তরণের লক্ষ্যে যেসব কর্মকান্ড পরিচালনা করবে, তারমধ্যে রয়েছে, বেসরকারি খাতে করোনাভাইরাসের প্রকৃত প্রভাব নিরূপণে প্রণালীবদ্ধ মূল্যায়ন পরিচালনা এবং কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাব থেকে অর্থনীতির উত্তরণের কৌশল প্রণয়ন। পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতি পুনরুদ্ধার কৌশল নিরূপণে সরকারের কাছে সুসংগঠিত তথ্য-উপাত্তভিত্তিক সুপারিশমালা প্রেরণ করা। তৃতীয়ত, সরকারি প্রয়োজনীয় সহায়ক নীতিমালা প্রণয়নের স্বার্থে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বভিত্তিক আলোচনার আয়োজন করাসহ বেসরকারি খাতে গতিশীলতা পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াকে অনুপ্রাণিত করা। এ বিষয়ে বাজেট প্রক্রিয়াতে সংশ্লিষ্ট নীতিসহায়তামূলক প্রস্তাবনা পেশ করা। কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে যেসব ক্ষুদ্র ও একক  মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে, তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রাপ্তির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মহলে অভিমত তুলে ধরা।

এছাড়া, সাতটি সুনির্দিষ্ট অর্থনৈতিক বিষয়ের ওপর, যথা-উৎপাদন খাত, সেবা খাত, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য/রফতানি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই), আর্থিক খাত, বেসরকারি বিনিয়োগ এবং কৃষি খাতের ওপর বিশ্লেষণাত্মক নীতিসহায়তা এবং পলিসি ডায়ালগ আয়োজন করা।

#

রূপশ্রী/এইচ