রূপশ্রী ডেস্ক: মেক্সিকোর ইতিহাসে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন ক্লদিয়া শেনবাউম।
গতকাল রবিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় পেয়েছেন তিনি। সেই সুবাধে তার দল আরো এক মেয়াদে থাকছে মেক্সিকোর ক্ষমতায়। আগামী ১ অক্টোবর তিনি প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এর আগে রাজধানী মেক্সিকো সিটির মেয়র হিসাবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
শেনবাউমের বয়স ৬১ বছর। তিনি একজন জলবায়ু বিজ্ঞানী, যৌথভাবে নোবেল পুরস্কারও পেয়েছেন, পিএইচডি করেছেন। তিনি নারীবাদী, বামপন্থী এবং প্যালেস্টাইনপন্থী রাজনীতিবিদ।


ক্লদিয়া শেনবাউম শুধু মেক্সিকোর প্রথম নারী প্রেসিডেন্টই হতে যাচ্ছেন না, ইহুদি পরিবার থেকে আসা দেশটির প্রথম কোনো রাষ্ট্রপ্রধানও হচ্ছেন তিনি। এর আগে মেক্সিকোর বেশির ভাগ প্রেসিডেন্টই ছিলেন ক্যাথলিক খ্রিষ্টান।
দেশটির বিদায়ী প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেস ম্যানুয়েল লোপেজ ওব্রাদরকে গুরু মানেন তিনি। তবে দুজনের দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা।তিনি মেক্সিকো সিটির মেয়র থাকাকালে করোনা মহামারির কবলে পড়েছিল দেশ। তখন শহরটির ৯০ লাখ মানুষকে করোনা থেকে সুরক্ষা দিতে তিনি যে ব্যবস্থা নিয়েছিলেন, তা ছিল জাতীয় পর্যায়ে প্রেসিডেন্ট ওব্রাদরের নেওয়া পদক্ষেপের চেয়ে ভিন্ন। তিনি মাস্ক পরতেন। প্রেসিডেন্ট ওব্রাদর মাস্ক পরতেন না।
আগামী ১ অক্টোবর প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতায় বসবেন ক্লদিয়া শেনবাউম। এর পরপরই তিনি যেসব বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে মেক্সিকোয় চলমান সহিংসতা।

নির্বাচনী এক প্রচারণায় শেনবাউম বলেছিলেন, দেশে অপরাধ দমনে প্রেসিডেন্ট ওব্রাদর যে নিরাপত্তা বাহিনী গড়ে তুলেছেন, তার পরিধি আরও বাড়াবেন তিনি। অপরাধী চক্রগুলো দমনের বিষয়ে শেনবাউম বলেছিলেন, ‘পরিষ্কারভাবে বলি, এর অর্থ এই নয় যে সরকার কঠোর হাতে সব দমন করবে বা যুদ্ধ শুরু করবে বা কর্তৃত্ববাদী হয়ে উঠবে। আমরা অপরাধের কারণ খুঁজে বের করার কৌশলে কাজ করব এবং অপরাধের পর দায়মুক্তি শূন্যের কোটায় আনার পথে এগিয়ে যাব।’
সূত্র: এক্স, প্রথম আলো







