হলুদ দুধের নানা গুণ

1054

ফারজানা তুজ জোহরা

আমরা সবাই কম বেশি হলুদ দুধ সম্পর্কে জানি। ছোটকাল থেকেই অনেকে হলুদ দুধ খেয়েছেন। ত্বকের রং উজ্জ্বল করতে বা ব্রণ কমাতে এই দুধ খেয়ে থাকেন সবাই। এর উপকারিতা কিন্তু আরও বিস্তৃত। তাই আজকে এই হলুদ দুধ আমরা কিভাবে খাবো, কেন খাবো, গুণাগুণ কি কি, তৈরির পদ্ধতি সব কিছু তুলে ধরার চেষ্টা করলাম।

ইন্ডিয়ার আয়ুর্বেদিক গ্রন্থানুসারে হলুদ দুধ তৈরির সঠিক রেশিও হল, ২৫০ মিলি দুধে ৫ গ্রাম হলুদ । দুধে হলুদ দিয়ে ৫ মিনিট ফুটাবেন। তারপর ছেঁকে নিবেন। তাহলেই তৈরী আপনার গোল্ডেন মিল্ক বা হলুদ দুধ ।

কোন হলুদ খাবো?

আপনার বাসার রান্নাঘরের হলুদ। শুধু খেয়াল রাখবেন সেই হলুদ যেন ঝাল না হয়। কাঁচা হলুদ আসে পাশে থাকলে সেটাও খাবেন। কিন্তু কাঁচা হলুদ এর থেকে গুড়া হলুদ টাই আমি প্রেফার করি। কারন কাঁচা হলুদে ব্যাকটেরিয়া অনেক বেশি থাকে। বলতে পারেন বেশি পুষ্টির কারনে অনেক সময় সবার সহ্য হয়না। কিন্তু খেয়ে দেখে নিতে পারেন। সহ্য হলে খেতে পারবেন।

কি হবে এটা খেলে?

রক্ত পরিস্কার হবে,
স্কিন টোন ব্রাইট হবে,
রক্ত বিশুদ্ধ মানেই আপনি সুস্থ,
জয়েন্ট এর ব্যথা কমবে,
শরীরের ব্যথা কমবে,
ইমিউনিটি বাড়বে,
ঠান্ডা কাশি কমাবে,
ঘুম ভালো হয়,
লিভার টনিক,
চুলের এর গ্রোথ বাড়ায়,
পিরিয়ড পেট ব্যথা কমায়,
আর্থাইটিস এর রিলিফ দেয়,
জ্বরে ভালো কাজ করে,
একজিমাতে ভালো কাজ করে
এবং আরো অনেক অনেক উপকার।

কয়দিন খাবো?
টানা এক মাস অথবা তিন মাস খেয়ে ১৫ দিন ব্রেক।

খাবো কখন?
রাতে ঘুমানোর আগে খাবেন।

কারা খাবেন না ?

উচ্চরক্তচাপ এর পেশেন্ট বাদে সবাই খেতে পারবেন।
যাদের দুধ সহ্য হয়না তারা খাবেন না।
গর্ভবতী নারীরা ডাক্তারের পরামর্শ না নিয়ে খাবেন না।

লেখক – আয়ুর্বেদিক রিসার্চার এবং কর্ণধার, সম্পর্ক ডট কম প্রডাক্টস

রূপশ্রী/এমএস