নতুন জীবনে সুকন্ঠী কর্ণিয়া

971

রূপশ্রী প্রতিবেদন

ঢাকা :

পাওয়ার ভয়েস খ্যাত এ প্রজন্মের জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী জাকিয়া সুলতানা কর্ণিয়া পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হলেন। গত ২৭ জুলাই পারিবারিকভাবে ঘরোয়া পরিবেশে সম্পন্ন হয়ে গেল কর্ণিয়া এবং মিউজিশিয়ান নাবিল সালাউদ্দিনের বিয়ে।

এই বিয়ে আরো চার মাস আগে ২৭ মার্চ হওয়ার কথা ছিল থাকলেও বৈশ্বিক করোনা পরিস্থিতিতে কার্ডভেন্যুসহ সব চূড়ান্ত অবস্থায় বিয়ের অনুষ্ঠান স্থগিত হয়ে যায়। অবশেষে লকডাউন শেষে তারা ঘরোয়াভাবে আকদ সেরে নিয়েছেন। কর্ণিয়া নিজেই ২৮ জুলাই সন্ধ্যায় বিয়ের সুসংবাদটি গণমাধ্যমকে জানান।

গায়িকা কর্ণিয়া বর নাবিলের সাথে পরিচয় প্রসঙ্গে বলেন, ‘চার বছর ধরে আমরা একসঙ্গে কাজ করছি। সেখান থেকেই নিজেদেরমধ্যে ঘনিষ্ঠতা ভালো লাগা। যখন মনে হলো আমরা একে অপরের সঙ্গে সারাজীবন থাকতো পারবো, তখনই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এরপর আমাদের বিষয়টি পরিবারকে জানাই। তাদের আয়োজনেই বিয়েটা করলাম।

গায়িকা জানালেন, মধুচন্দ্রিমার জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে আপাতত তা হচ্ছে না। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তখন যেতে চান। তার আগে আয়োজন করতে চান বিবাহোত্তর সংবর্ধনা। করোনার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বন্ধু ও ঘনিষ্ঠজনদের নিয়ে জাঁকালো আয়োজনে বিয়ের অনুষ্ঠান করবেন।

সবার কাছে নতুন জীবনের জন্য দোয়া চেয়েছেন নব দম্পতি বর নাবিল সালাহউদ্দিন নিজে এসএস ব্যান্ডের প্র‌তিষ্ঠাতা। মিউজিক জীবনের শুরুটা হয় সাবকনসাস ব্যান্ডের মাধ্যমে। এসএস ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা তিনি কাজ করেছেন অনেক একক শিল্পী এবং আর্ক, প্রমিথিউসের মত ব্যান্ডের সাথে। ক‌র্ণিয়ার সঙ্গে নাবিল অনেকদিন ধরেই মিউ‌জিক করছেন।

প্রেম কতদিনের জানতে চাইলে কর্নিয়া বলেন, ‘প্রেম বললে ভুল হবে। আমরা দুজন দুজনকে পছন্দ করতাম। তিন বছর ধরেআমরা পরস্পরের নিকটবর্তী হয়েছি।

ভালোবাসার মানুষটিকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়ার অনুভূতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘যাকে পছন্দ করেছি, তাঁকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়েছি যেন সৃষ্টিকর্তার দেওয়া উপহার। যদিও সংসার শুরু করতে পারিনি, শ্বশুরবাড়ি যাওয়া হয়নি। তবে লকডাউনশেষ হলেই আমাদের সংসার শুরু হবে।

২০১২ সালে চ্যানেল নাইনের পাওয়ার ভয়েস প্রতিযোগিতা থেকে কর্নিয়ার সংগীতের দুনিয়ায় খ্যাতির শুরু। এরপর থেকে নিয়মিত একক  মিক্স অ্যালবামে গান প্রকাশ করে চলেছেন। বিভিন্ন মিউজিক শো নিয়ে মঞ্চ মাতিয়ে চলেছেন এই সুকন্ঠী গায়িকা।

রূপশ্রী/টিআর