রূপশ্রী প্রতিবেদন,
১৫ মে, ঢাকা:
এক মাস সিয়াম সাধনা শেষে এসেছে খুশির ঈদ। কিন্তু করোনা মহামারীর করাল থাবার কারনে সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক স্বাস্থ্যবিধি মেনে সারাদেশে সীমিত পরিসরে ঘরোয়া আয়োজনে মানুষ ঈদ উদযাপন করেছে। করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি চেয়ে জাতীয় মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজের পর দেশ ও জাতির জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।
ঈদের দিন সকালে শুক্রবার (১৪ মে ) সকাল ৭টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।ঈদের প্রথম জামাত শেষে খুতবা পাঠ করা হয়। এরপর দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতে সৃষ্টিকর্তার দরবারেফরিয়াদ জানায় হাজার হাজার হাত। মুনাজাতে ইমাম করোনাভাইরাস থেকে দেশ ও জাতিকে বাঁচাতে আল্লাহর কাছে সাহায্যচান। এ সময় ‘আমিন আমিন‘ ধ্বনিতে মুখরিত হয় বায়তুল মোকাররম প্রাঙ্গণ।



দেশের সার্বিক করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাতের আয়োজন করা হয়নি। মসজিদেই নামাজআদায় করেছেন মুসল্লিরা। দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ময়দানে। কিন্তু এবারও করোনা পরিস্থিতির কারণে তা হয়নি। তাছাড়া ঈদের নামাজ আদায়ের পর চিরচেনা প্রথা কোলাকুলি এবং করমর্দনেও অনীহা।স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে ঈদের নামাজ আদায় করলেও কোলাকুলি করার প্রবণতা কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে।
ঈদে বিনোদন কেন্দ্রগুলো বন্ধ আর দেশজুড়ে আরোপ করা কঠোর বিধিনিষেধের কারণে এবার সকলকে অনেকটা সীমিত আকারেই পালন করতে হয়েছে ঈদ।গণপরিবহন বন্ধ থাকায় অনেকেই যেতে পারেননি নিজ গ্রামে। তাই সেই বিষাদের ছায়াও পড়েছে নগরবাসীর মনে। আবার বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকায় বিকল্প কোনও জায়গা না পেয়ে খোলা আকাশের নিচে কিংবা চার দেয়ালে কেটেছে অনেকের ঈদ।
রূপশ্রী/ এম এস







