২২ মে ২০২৪, রুপশ্রী ডেস্ক:
নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের সংসদ সদস্য এইচ এম ইব্রাহিম বলেছেন, আমার খুব অবাক লাগে কি শিক্ষা দিচ্ছেন আমাদের শিক্ষকরা? কেমন তাদের শিক্ষার্থীরা? যতসব বখাটে ছেলেদের সঙ্গে মেয়েরা পালিয়ে যাচ্ছে। আমি যদি হিসাব করি তাহলে প্রতিমাসে ২০০-২৫০ মেয়ে ঘর ছেড়ে চলে যাচ্ছে। কিসের উদ্দেশে যাচ্ছ তোমরা, কোথায় যাচ্ছ?
বুধবার (২২ মে) দুপুরে সোনাইমুড়ীর নদোনা ইউনিয়নের নিলামহাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের চার শিক্ষকের বিদায় ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।বিদ্যালয়ের সভাপতি নদোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সোনাইমুড়ী পৌর মেয়র ভিপি নুরুল হক চৌধুরী, চাটখিল পৌরসভার মেয়র নিজাম উদ্দিন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট আজহার উল্ল্যা ভূঁইয়া, সোনাইমুড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাবুল বাবু, নিলামহাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.জাফর উল্যা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এমপি ইব্রাহিম আরও বলেন, আমি গত কিছুদিন আগে জেনেছি এক পরিবারের দুইটা মেয়ে পালিয়ে গেছে। তাদের মা পুলিশের কাছে এসেছে সাহায্যের জন্য। আমি বিষয়টা জেনে র্যাবের সহযোগিতা নিয়ে মেয়ে দুইটাকে উদ্ধার করেছি। পরে জানলাম একজন সিএনজি চালকের সঙ্গে গেছে। আরেকজন মাইক্রোবাস চালকের সঙ্গে চলে গেছে। আমি মনে করি শিক্ষকদের যেমন দোষ আছে তেমন অভিভাবকদেরও দোষ আছে।
তিনি বলেন, আমার এলাকার একটা মেয়ে ফেসবুকে একটা ছেলের সঙ্গে প্রেম করে পালিয়ে গেছে। সেখান থেকে ছেলে খুলনা নিয়ে গেছে। তারপর বর্ডার দিয়ে ভারত নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে। তাও খারাপ একটা পাড়ায় বিক্রি করেছে। বাংলাদেশি অ্যাম্বাসির মাধ্যমে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে। খুব দ্রুতই দেশি ফেরাতে পারবো ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, পাঠ্যবই শিক্ষা দিয়ে কোনো লাভ হবে না যদি তাদের সঠিক পথে না আনতে পারেন উল্লেখ এমপি ইব্রাহিম বলেন, এখন শিক্ষার্থীদের হাতে হাতে মোবাইল ফোন। আমি বলব, এই বয়সে হাতে মোবাইল থাকবে কেন? তুমি কিসের ফেসবুক চালাও। তুমি কি শিখতেসো? একটা মেয়েও ঠিকমতো পড়ালেখা করে না। আমি ওসি সাহেবকে ফোন দিলাম একটা মেয়ের বিষয়ে তিনি আমাকে বলেন আজকে নাকি ছয়জন পালিয়েছে। সব স্কুলের মেয়ে, কলেজের মেয়েও না। আনি জানি না কি শিক্ষা দিচ্ছে শিক্ষকরা। পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিয়ে কোনো লাভ হবে না যদি তাদের সঠিক পথে না আনতে পারেন। এই বয়স আবেগের বয়স। যদি একটা ভুল হয় তাহলে সারাজীবন পস্তাতে হবে।
সৌজন্যে: ঢাকা পোষ্ট







