দেশে সাক্ষরতার হার ৭৪ দশমিক ৭ শতাংশ

627

রূপশ্রী প্রতিবেদন

ঢাকাঃ

বিবিএস এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী দেশের বর্তমান সাক্ষরতার হার বেড়ে ৭৪ দশমিক ৭ ভাগে উন্নীত হয়েছে । ২০০৫ সালে সাক্ষরতার হার ছিল মাত্র ৫৩ দশমিক ৫ শতাংশ। সেখান থেকে সরকারের নিরলস প্রচেষ্টায় বিগত সময়ের চেয়ে এই হার বেড়েছে। আসন্ন ৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ব সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে  আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আজ (৬ সেপেটম্বর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এসব তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ৮ সেপ্টেম্বর সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস’। ইউনেস্কো’র উদ্যোগে ১৯৬৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো ‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস’ পালন করা হয়। বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে প্রথমবারের মতো এ দিবস উপযাপন করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় সরকার প্রতি বছর আন্তর্জাতিক দিবস পালন করে আসছে।  এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘কোভিড-১৯ সংকট: সাক্ষরতা শিক্ষায় পরিবর্তনশীল শিখন-শেখানো কৌশল এবং শিক্ষাবিদদের ভূমিকা’।

সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর আওতায় বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ নিরক্ষরকে অক্ষর জ্ঞান দেওয়া হয়। বর্তমানে বেশ কয়েকটি প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষকে সাক্ষরতার আওতায় আনা হচ্ছে।  সাক্ষরতা বিস্তারে এ বিশাল অর্জনের জন্য বাংলাদেশ সরকার ইউনেস্কোর স্বীকৃতি হিসেবে ‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা পুরস্কার-১৯৯৮’ লাভ করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পক্ষ থেকে এ পুরস্কার গ্রহণ করা হয়।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার এসডিজি এবং জাতীয় অঙ্গীকারের ৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০) প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে চলেছে। টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের চতুর্থ লক্ষ্যে সাক্ষরতা বিস্তার, দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ এবং জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির জন্য ৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টিতে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। সবার জন্য শিক্ষা’ এবং ‘সহস্রাব্ধ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাসমূহ’ সাফলভাবে অর্জনের জন্য ২০১৪ সালে ইউনেস্কো মহাসচিব ইরিনা বোকোভা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘শান্তি বৃক্ষ’ পদক প্রদান করেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন-প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম আল হোসেন, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক তপন কুমার ঘোষ,  প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ্, অতিরিক্ত সচিব আলম আরা বেগম এবং মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রূপশ্রী/টি আর