রূপশ্রী প্রতিবেদন
ঢাকা: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বরাত দিয়ে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা বলেছেন,খাবারের মাধ্যমে কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয় না। তবে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য খাদ্য বাহিত রোগ প্রতিরোধের জন্য ৫টি বিষয় অনুসরণ করতে হবে। সর্বস্তরে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, কাঁচা এবং রান্না করা খাবার আলাদা রাখা, ভালো ভাবে সেদ্ধ করে রান্না করা, নিরাপদ তাপমাত্রায় খাবার সংরক্ষণ করা, নিরাপদ পানি ও খাদ্য কাঁচামাল ব্যবহার করা। তবে সব স্তরে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।’
রবিবার (৫ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানান তিনি। এসময় সবাইকে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের পরামর্শ দিয়ে অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা বলেন, বিভিন্ন ধরনের টাটকা শাক-সবজি, ফল, পূর্ণ শস্যদানা সমৃদ্ধ খাবার বিভিন্ন প্রকার ডাল এবং শিম জাতীয় খাবারের পাশপাশি প্রাণিজ উৎসের খাবার, যেমন- মাছ, মাংস, ডিম, দুধ ইত্যাদি গ্রহণ করতে হবে।’
শিশু খাদ্যের বিষয়ে তিনি বলেন, মায়ের বুকের দুধের মাধ্যমে করোনা সংক্রমিত হয় না। তবে মাকে করোনা বিষয়ক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। শূন্য থেকে ৬ মাস পর্যন্ত শিশুদের শুধু মায়ের বুকের দুধই যথেষ্ট। কারণ মায়ের বুকের দুধ থেকে শিশুর সবধরনের পুষ্টি এবং পানি পেয়ে থাকে। শিশুর বয়স ৬ মাসের পর মায়ের দুধের পাশাপাশি পূর্ণ নিরাপদ পুষ্টিসম্পন্ন বয়স উপযোগী খাবার দিতে হবে এবং ২ বছর পর্যন্ত অবশ্যই বুকের দুধ পান করাতে হবে।
শিশু ও কিশোরদের অনলাইনে যুক্ত থাকার বিষয়ে সতর্কতা
অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, করোনাকালে শিশুদের সম্মিলিত বিকাশ অব্যাহত রাখার জন্য মানসম্পন্ন বা গুনগত সময় দেওয়া, সৃষ্টিশীল কাজে নিয়োজিত করা, বর্তমানে তাদের অনলাইনে পড়ালেখার বিষয়ে সার্বিক সহায়তা করা উচিত। তবে শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের মাত্রাতিরিক্ত অনলাইনে যুক্ত হওয়ার বিষয়টি সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করে তা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।’
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত ৫টি পরামর্শ উল্লেখ করে ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, ‘করোনাকালে বাসায় থাকুন, সুস্থ থাকুন। আতঙ্কিত হবেন না, সহানুভূতিশীল হোন। তবে এসময় শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকতে হবে। যেমন, ঘরে ব্যায়াম করা, হাঁটা, শিশু, কিশোর-কিশোরী বা যে কেউ নৃত্য চর্চা করা। করোনাকালে মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার জন্য বই পড়া, গান শোনা, সিনেমা দেখা, ছবি আঁকা, বাগান করা, পোষা প্রাণীর যত্ন নেওয়া, ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ বজায় রাখা, শিশু এবং বাড়ির প্রবীণদেরও এসব কাজে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা যেতে পারে।’
#
রূপশ্রী/ এইচআর







